আমাদের ভাবতে হবে!
০১. সংখ্যা আর মান: প্রতিদিন আদালতে নতুন নতুন কালো কোট যোগ হচ্ছে। এটা ভালো দিক। পেশা বড় হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই — ট্রাইল জীবী কই? যারা ট্রায়াল স্টেজে দাঁড়িয়ে যুক্তি দিয়ে মামলা লড়েন, গভীর জ্ঞান রাখেন — তাদের সংখ্যা কেন কমে যাচ্ছে?
২. আমরা কোন পথে? আজকাল দেখা যায়, শুধু পরিশ্রম আর জ্ঞান না, সাথে তেলবাজি-মোসাহেবীও কাজে লাগে। “জি স্যার” বলা সহজ। কিন্তু আইনজীবীর আসল কাজ তো কোর্টে দাঁড়িয়ে সত্য বলা। নৈতিকতা যখন দুর্বল হয়, তখন আমরা সহজ পথ খুঁজি।
০৩. পড়াশোনার অভ্যাস: পৃথিবীর বড় বড় নেতারা দিনে ১২ ঘন্টা পড়াশোনা করেন। নিজেকে আপডেট রাখেন। আমাদেরও তো বই পড়তে হবে, নতুন জাজমেন্ট স্টাডি করতে হবে। নইলে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলবো কিভাবে?
০৪. সম্মান কিসে? একটা ক্রেস্ট, একটা পদবী সাময়িক গর্ব দেয়। কিন্তু আসল সম্মান আসে কাজ দিয়ে। যোগ্যতা দিয়ে। জাতি মনে রাখে সেই আইনজীবীকে, যিনি কোর্টে দাঁড়িয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেছেন।
০৫. আমাদের করণীয়: কালো কোট বাড়ুক, কিন্তু সাথে ট্রাইল জীবীও বাড়ুক। আসুন আমরা বই ধরি। স্টাডি করি। যুক্তি দিয়ে কথা বলি। “জি স্যার” এর পাশাপাশি “আইন কি বলে” — এটাও বলার সাহস রাখি। তাহলেই এই পেশার মর্যাদা বাড়বে, মানুষের আস্থা ফিরবে।




