
অ্যাড.এম.মাফতুন আহমেদ
শৈশব কাল। কতো স্মৃতি, কতো কথা। জীবনের মধ্য গগন আজ পেরিয়ে। পাইকগাছার মানুষ। খুলনায় পড়াশুনা করে। পরবর্তীতে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। বয়সে অনেক বড়। মরহুম পিতার প্রিয় ছাত্র। নাম কিরন চন্দ্র সরকার। তিনি আজ পরপারে। এতো অপ্রতুল যোগাযোগ ব্যবস্থা যে, তখন জেলা শহরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা ছিল খুবই কঠিন। খুলনা শহরের এক সম্মানীত ব্যক্তি তাঁকে জিঞ্জেস করছেন ‘তোমার বাড়ী কোথায় খোকন’? বললেন, পাইকগাছায়। ও আচ্ছা প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের লেখকের
বাড়ী। ওই কলেজ ছাত্র আমাকে পরবর্তী কোন এক সময়ে প্রসঙ্গত বলেছিলেন-‘লোনা পানির মানুষ আমরা অনেকে আমাদের চিনতো না। চিনিয়েছিলেন সেদিন ‘আবদুল্লাহ’
উপন্যাসের লেখক কাজী ইমদাদুল হক তাঁর কীর্তির মধ্য দিয়ে। আসলে কারোর অপরিসীম কীর্তির মাঝে একটি জাতি সমাজ গোষ্টি পরিচিতি লাভ করে।[
তাই তো যুগে যুগে, কালেভদ্রে জাতির মাঝে যুগশ্রেষ্ট কিছু অতি মানবের আগমন ঘটে। তাঁরা দিশাহীন জাতিকে আলোর দিশা দেখান। ছড়িয়ে দেন দেশ থেকে দেশান্তরে জ্ঞানের অলোকরশ্মি। তাই তাদেরকে বলা হয় কালজয়ী। জাতির কিংবদন্তী। এদের জীবন ধরণীর বুকে খুবই সংক্ষিপ্ত। এই ক্ষুদ্রপরিসর জীবনে এরা জাতিকে গহীন সাগর থেকে কুড়িয়ে এনে দিয়ে গেছেন অসংখ্য জ্ঞানের মনি মুক্তা। এরা নিজেকে চেনে না, খোঁজ রাখে না এদের পরিবার, এরা আসলে কী? আসলে নিজেকে নয়, জাতি-রাষ্ট্র, গোটা ভুবনকে নিয়ে নিরন্তর সাধনায় মত্ত থাকেন। তাই তো এদের বলা হয় জাতির মহীরুহ।
প্রবন্ধটি লিখতে যেয়ে মনে পড়ে গেল মহাকবি এমাসনের কথা। তিনি লিখেছেন Great Poets have shortest biographies their cousing can tell you nothing about them, they live in their Poetry. অর্থাৎ-(মহান কবিদের জীবনী খুবই সংক্ষিপ্ত।তাঁদের আত্মীয়রাও তাঁর সম্পর্কে কিছু বলতে পারবে না, তারা বেঁচে থাকবেন তাঁদের কাব্যে’। নিঃসন্দেহে কবি, ছোট গল্পকার, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, কিশোর লেখক, সাংবাদিক কাজী ইমদাদুল হক। জাতির মহান পথিকৃতদের মধ্যে অন্যন্য একজন। তিনি রেখে গেছেন সাহিত্যের ভাণ্ডার। এক কথায় সাহিত্য কীর্তি। সৌম্যদর্শন ও প্রিয়ভাষী, মার্জিতরুচি ও মুক্তমন জ্ঞানপন্থী ও সমাজপ্রেমী কাজী ইমদাদুল হক তাঁর স্বল্পায়ু জীবনের বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে যে অতুল কীর্তি রেখে গেছেন, তার মহাত্ম্য উপলব্ধি আজও আমাদের চিত্তের জাগরনে ও উৎকর্ষের জন্য অপরিসীম সহায়। অথচ এই তল্লাটের মানুষগুলো আজ তাঁকে ভুলে যেতে বসেছে। রাষ্ট্রীকভাবে এসব জাতীয় মনীষিদের মূল্যায়ন করা দরকার। সেভাবে মূল্যায়িত হয় বলে মনে হয় না।
মনে রাখতে হবে, “যে জাতি তাঁর কৃতিপুরুষদের মূল্যায়িত করতে জানে না, সে দেশে জাতীয় বীরের জন্ম হয় না”। মনে পড়ে গেল ফরিদা পারভীনের একটি গানের কাছে। বাড়ীর কাছে আরশি নগর সেথা এক পড়শি বসত করে.. আমি একদিনও না দেখিলাম তারে… বাড়ীর কাছের চেনা-অচেনা বাসিন্দাদের আমরা ভুলে যেতে বসেছি। বলা যায় বিস্মৃতিপ্রবন দূর্ভাগ্যা একটি জাতি। এক কথায় বলা যায় বৃহত্তর খুলনার মানুষ জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তান, জাতীয় বীর কাজী ইমদাদুল হককে আজ ভুলে যেতে বসেছি।
আমি বাংলা সাহিত্যের ছাত্র নই। এ ধরনের প্রবন্ধ লেখা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও অসাধ্য বলে পৃখিবীতে কিছুই নেই। সংক্ষিপ্ত পরিসরে কিছু লেখার চেষ্টা করেছি। প্রিয় পাঠক সংক্ষিপ্ত পরিসরে জেনে নেই এই জ্ঞান তাপস সম্পর্কে অজানা কথা।
লোণা পানির সোনার ছেলে
এই যুগপুরুষ ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দের ৪ঠা নভেম্বর তারিখে খুলনা জেলার পাইকগাছা থানা (আজকে উপজেলা)র গদাইপুর কাজী বংশে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। এই অভিজাত পরিবার এককালে অনেক লাখেরাজ সম্পত্তির অধিকারী ছিলেন। ইমদাদুল হকের পিতামহ কাজী মেহদী বিল্লাহ্ ও পিতা কাজী আতাউল হক। ইমদাদুল হক পিতার একমাত্র সন্তান। আতাউল হক প্রথম জীবনে কিছুদিন আসামের জরীপ বিভাগে চাকুরি করেছিলেন। পরে তিনি মুস্তারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে খুলনার ফৌজদারী আদালতে আইন ব্যবসা শুরু করেন। তাঁর আয় বেশী না হলেও তিনি পুত্রের শিক্ষা দীক্ষার প্রতি সর্বপ্রকার যত্ন নিয়েছিলেন। তিনি ১৯২৫ সালে প্রায় আশি বছর বয়সে ঢাকায় তাঁর পুত্রের ইস্কাটনস্থ বাসভবনে দেহত্যাগ করেন।
উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণঃ
ইমদাদুল হক বাল্যকাল হতেই শান্তস্বভাব, মেধাবী ও পরিশ্রমী ছিলেন। তিনি ১৮৯৬ সালে খুলনা জেলা স্কুল থেকে এন্ট্রান্স,১৮৯৮ সালে কলকাতা মাদ্রাসা থেকে এফ. এ. এবং ১৯০০ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করেন। বি.এ. পড়বার সময় তিনি ঢ়যুংরপং ও পযবসরংঃৎ তে অনার্স নিয়েছিলেন, কিন্তু পরীক্ষার প্রাক্কালে অসুস্থতাহেতু অনার্স ছেড়ে দিয়েছিলেন। অতঃপর ইংরেজিতে এম.এ. ওবি. এল. শ্রেণীতে পড়েছিলেন। কিন্তু পরীক্ষা না দিয়ে ইবহমধষ ঈরারষ ঝবৎারপব এ প্রবেশ লাভের চেষ্টা করেন। তিনি খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নমিনেশন পেয়েছিলেন। কিন্তু নিম্নতর provincial Executive service ও তাঁর ভাগ্যে লাভ হয়নি। তিনি ছিলেন সাহিত্যমনা জ্ঞানসাধক: তাই শিক্ষা বিভাগের দিকেই ছিল তার নিয়মিত নির্দেশ।
চাকুরী জীবনে প্রবেশঃ
১৯০৩ সালে তিনি কলকাতা মাদ্রাসায় একটি অস্থায়ী শিক্ষকের পদে যোগদান করেন। পূর্ববঙ্গ-আসাম প্রদেশ গঠিত হলে ১৯০৬ সালে অক্টোবর মাসে ইমদাদুল হক শিক্ষা বিভাগের ডিরেক্টরের অফিসে কেরানীর পদে নিযুক্ত হয়ে শিলং গমন করেন। কিন্তু শিলং-এর রমনীয় প্রাকৃতির পরিবেশেও কেরানীর
চাকুরী তাঁর কবি-মেজাজের অনুকুল হলো না: অগত্য চলে এলেন এক বছর পরে ছুটি নিয়ে এলেন স্বদেশে। শিক্ষা বিভাগের তৎকালীন ডিরেক্টর মি.শার্প তাঁর সম্ভাবনাময় জীবন আলেখ্য জানতে পেরে ১৯০৭ সালে তাঁকে ঢাকা মাদ্রাসার শিক্ষক পদে নিযুক্ত করেন। ১৯১১ সালে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অধ্যাপক নিযুক্ত হন। ১৯১৪ সালে তিনি provincial Education service এ উন্নীত হয়ে ঢাকা বিভাগের Assistant Inspector of Schools for Muhammadan Education পদ লাভ করেন। ১৯১৭ সালে তিনি কলকাতা ট্রেনিং স্কুলের হেডমাস্টার পদে বদলী হন। তিনি যখন ঢাকা ট্রেনিং কলেজের অধ্যাপক, তখনই মূত্রাশয়ের পীড়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। কলকাতা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। বড় রকমের অস্ত্রোপাচার হয় এবং সেখানে তাঁকে দীর্ঘ ছয় মাস কাল অবস্থান কালে তিনি তাঁর ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের অধিকাংশ রচনা করেন।
সাহিত্য অতুল কীর্তিঃ
কাজী ইমদাদুল হকের জ্যেষ্ঠ পুত্র পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ আমলে কয়েকবার মন্ত্রী, অখণ্ড পূর্ব বাংলায় মুসলমানদের মধ্যে প্রথম আই.সি.এস. (ইণ্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস) এর সদস্য মরহুম কাজী আনোয়ারুল হক তাঁর বাবার স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন- আমার পিতা, মরহুম কাজী ইমদাদুল হক, অধ্যাপনার কাজে জীবিকা অবলম্বন করেছিলেন সত্য, কিন্তু তিনি সাহিত্যসেবাকেই জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন”। আমরা জানি মরহুম কাজী ইমদাদুল হক শুধু ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাস লিখেছেন। আসলে সাহিত্যঙ্গনে তাঁর অমর কীর্তি অগনন। তিনি ১৯০০ সালে বি.এ পাশ করেন। সে বছরই ‘আখিজল’ নামে একখানী গদ্য পুস্তক প্রকাশিত হয়। ১৯০৩ সালে ‘লতিকা’ নামে দ্বিতীয় গদ্য পুস্তকের পাগুলিপি প্রকাশ করেন। যদিও ‘লতিকা’ পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়নি। ১৯০৩ সালে মাসিক ‘নবনূর’ আত্মপ্রকাশ করেন। অসংখ্য কবিতা প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায়।
‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাস ছিল অমর কীর্তি
‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাস তিনি দেখে যেতে পারেননি। হাসপাতালে বসে এই উপন্যাসটি লিখতে শুরু করেছিলেন। শেষ নামাতে পারেননি। ৩০ পরিচ্ছেদ ‘মোসলেম ভারতে’ প্রকাশিত হয়েছিল। তার পরের ১১ পরিচ্ছেদ রচনা করেন অধ্যাপক কাজী আনোয়ারুল কাদীর। এই অংশটকর খসড়া ইমদাদুল হক রেখে গিয়েছিলেন। এভাবে তৈরী ‘আবদুল্লাহ’। ১৯৩৩ সালে ‘দি মুসলিম প্রেস, ১১/৫ নং কড়েয়া বাজার, কলকাতা থেকে মুদ্রিত ও গ্রন্থকারে প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণ ঢাকা থেকে ‘প্রভিন্সিয়াল লাইব্রেরি’ তার দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়।
আসলে ইমদাদুল হকের স্মরণীয় সাহিত্যকর্ম তাঁর একমাত্র উপন্যাস ‘আবদুল্লাহ’। বহুদিন শয্যাশায়ী থাকার কারনে ‘আবদুল্লাহ’ তিনি শেষ করে যেতে পারেননি। ‘আবদুল্লাহ’র বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটু না লিখলে প্রবন্ধটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
-গ্রামের কৃষিজীবী মুসলমানেরা শিক্ষা লাভ করে এগিয়ে আসতে চাইছে অথচ তাদের সামনে বিচিত্র বাধা। আশরাফ আতরাফ ভেদাভেদ, পর্দাপ্রথা, পীরবাদ, ধর্মীয় গোঁড়ামী সামাজিক কুসংস্কার, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি অনাগ্রহ প্রভৃতি। অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা তো আছেই। ‘আবদুল্লাহ’ যখন রচিত হয় তখন বাংলা কথা সাহিত্য উঠে গেছে অনেক উঁচুতে। রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ বহু শক্তিশালী কথাশিল্পী প্রবলভাবে সৃষ্টিশীল। শিল্পের দিক থেকে ‘আবদুল্লাহ’ বাংলা প্রথম শ্রেণির উপন্যাসের সমান্তরাল নয়, কিন্তু মুসলমান ঔপন্যাসিকের মধ্যে কাজী ইমদাদুল হক প্রথম সারির একজন। তিনি ১৯২৬ সালে ‘স্নান বাহাদুর’ উপাধিতে সম্মানিত হন।
‘আবদুল্লাহ’ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ লেখেনঃ
“আবদুল্লাহ” বইখানী পড়ে আমি খুশী হয়েছি। বিশেষ কারণ, এই বই থেকে মুসলমানের ঘরের কথা জানা গেল। এেেদশের সামাজিক আবহাওয়া-ঘাটতি একটা কথা এই বই আমাকে ভাবিয়েছে। দেখলুম যে ঘোরতর বুদ্ধির অন্ধতা হিন্দুর অচারে হিন্দুকে পদে পদে বাধাগ্রস্ত করেছে, সেই অন্ধতাই ধৃতি চাদর ত্যাগ করে লুঙ্গি ও ফেজ পরে মুসলমানের ঘরে মোল্লার অন্ন জোগাচ্ছে। এ কি মাটির গুণ? এই রোগবিষে ভরা বর্বরতার হাওয়া এদেশে আর কতদিন চলবে? আমরা দুপক্ষ থেকে বিনাশের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পরস্পর আঘাত ও অপমান করে চলব! লেখকের লেখনীর উদারতার বহিখানিকে বিশেষ মূল্য দিয়েছে”।
বস্তুত, বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বাঙালি মুসলিম সমাজের যে অবস্থা ছিল, তার একটি নিখুঁত চিত্র ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসে বিধৃত হয়েছে।
তোমার কীতির চেয়ে …..
প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে। মায়ার পৃথিবী ছেড়ে সবাইকে চলে যেতে হবে। একটু আগে আর পরে। এই মহান
সবাইকে চলে যেতে হবে। একটু আসে আর পরে। এহ মহান সাধক মাত্র ৪৪ বছরের কম বয়সে জীবন গাড়ী থেমে যায়। ১৯২৩ সালের গোড়ার দিকে তিনি জররোগে এমন আক্রান্ত হন যে, তাঁর জীবনের আশা ক্ষীণ হয়ে পড়ে। তিনি ঢাকা নগরীর উত্তর প্রান্তে ইস্কাটন অঞ্চলে ‘সাড়ে সাত হাজার টাকা’ ব্যয়
করে ‘মাটির দেয়াল ও টিনের ছাদ’ দিয়ে নিজস্ব বাটী নির্মাণ করেছিলেন; সেই স্নিগ্ধ শ্যামল পরিবেশে তাঁর কবি প্রাণ শান্তির সন্ধান পেয়েছিল: কিন্তু সেখানে এক বছরের কাল বাসের পরই ম্যালেরিয়ার কবলে পড়েন। মনের অসাধারণ শক্তির বলেই তিনি সে যাত্রা রক্ষা পান।
সে আনন্দ কাটতে না কাটতে মূত্রাশয়ের পীড়া পুনর্বার দেখা দেয়। তিনি হেকিমী মতে চিকিৎসার্থে দিল্লী যাত্রা করেন। পথে কলকাতা অবস্থান কালে ১৯২৬ সালের ২০ মার্চ রাত্রে ৪৪ বছরেরও কম বয়সে দুনিয়ার মায়া ছেড়ে পরাপারে পাড়ি জমান জাতির এই শেষ্ট সন্তান। কলকাতার ‘গোবরা’ গোরস্থানের তাঁর জননীর সমাধির অনতিদূরে তাঁকে শেষবারের মতো শায়িত করা হয়। সেখানেই ঘুমিয়ে আছেন সাহিত্য অঙ্গনে ধ্রুবতারা মরহুম কাজী ইমদাদুল হক।
তিনি কাব্যে, সাহিত্য, শিক্ষাঙ্গনে অমর হয়ে আছেন। তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তিনি মরেও অমর গোটা বাঙারি জাতির কাছে অক্ষয় হয়ে থাকবেন।
লেখকঃ আইনজীবী, কলামিষ্ট ও আজাদবার্তা সম্পাদক



