আজাদ বার্তা ডেস্ক | ৪ আগস্ট ২০২৬
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজপথের আন্দোলনের পাশাপাশি আদালতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের একদল আইনজীবী। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আইনি সহায়তা দেওয়া থেকে শুরু করে আদালতের বাইরে তাদের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ—বিভিন্নভাবে তারা সক্রিয় ছিলেন।
জুলাইয়ের আন্দোলন যখন দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাজপথে ছড়িয়ে পড়ে, তখন গ্রেপ্তার, আটক ও বিভিন্ন মামলাকে কেন্দ্র করে আইনি সহায়তার প্রয়োজন বাড়তে থাকে। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আইনজীবী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান।
আদালতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি আইনজীবীদের একটি অংশ প্রকাশ্যেও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান। আন্দোলন ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নাগরিক অধিকার ও আইনের শাসনের প্রশ্নও আইনজীবী মহলে আলোচিত হয়।
আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষার্থী ও আন্দোলনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনি অধিকার রক্ষায় আইনজীবীদের তৎপরতা দেখা যায়। আদালতের ভেতরে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের পাশাপাশি বাইরে চলমান আন্দোলন নিয়েও তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।
২০২৪ সালের জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত চলা আন্দোলন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসে। ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে দেশত্যাগ করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির প্রাক্কালে আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে অংশ নেওয়া ব্যক্তি ও পেশাজীবীদের ভূমিকা নতুন করে আলোচনায় আসছে। এরই অংশ হিসেবে সেই সময় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের আইনি ও পেশাগত ভূমিকার বিষয়টিও সামনে এসেছে।
আদালত ও রাজপথ—দুই ক্ষেত্রেই আইনজীবীদের ওই সময়ের ভূমিকা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।




