মোঃ মুজিরুল হক ভূঞাঃ
👉কত নদী পর্বত অতিক্রম করে দ্রুত ভূমিতে আসে,নদী মোহনায় পরিশেষে সাগরে বিলায়, কত মানব এ পৃথিবীতে আসে কর্মযজ্ঞে হারায়,কে কাকে রাখে স্মরণ, যদি না থাকে মানবের তবে তাঁর মহাদান, এ বিশ্বে কারো জন্য কাঁদে না প্রাণ।
পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক তুমি গ্রহণ করো সালাম, তুমি হাজারো ছাত্রের প্রানে চির আদর্শ। নৈতিকতার মূর্ত প্রতীক। তুমি হারাতে পারো না কারোর মাঝে।
তুমি ধরাতে এসেছিলে সর্ব মোহিনী রূপে। ধরাকে রাঙিয়ে তুলার জন্য!। তুমি মানুষকে দান করেছো বিদ্যা আর বদান্যতা। তোমাকে শ্রদ্ধা করার জন্য লক্ষ মানুষ অপেক্ষমান। তুমি চলে এসেছো তোমারি গতিতে বিশ্বকে করতে গরিয়ান্য।
দেশের দক্ষিণ বঙ্গ পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আমজাদ আলী।
তোমার দানে পাইকগাছার জনপদ হয়ে উঠেছে শিক্ষা ও সভ্যতার কেন্দ্রে ভূমি। আলো জ্বেলেছো, জ্ঞান দিয়ে আলোকিত করেছো তাইতো তুমি মহান! তোমার দানে বিশ্ববরেন্য তোমার হাতে গড়া শিক্ষার্থীরা হয়েছে মহান। তাঁরা দেশ উন্নয়নে নানা ক্ষেত্রে রাখছে অসামান্য অবদান। তোমার জ্ঞানের আলোতে অন্ধকার চক্ষয় হয়েছে উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো। তুমি মনীষী, তুমি সাধক, তুমি ধার্মিক।
আমি সামান্য অতি। তোমার মতো অসামান্যকে নিয়ে কি লিখবো। এ দুঃসাহস আমার নেই তবু তোমারই তো তনয়, তোমারি আদর্শ, তোমারই উজ্জ্বল পুত্র বন্ধুত্বের সুবাদে আমি নগন্যকে স্মরণ করেছে কিছু লেখার জন্য!
জানি আমি কিছুই পারব না লিখতে। তুমি কি বিশাল ব্যক্তিত্ব। তুমি কি সাগরের মত সীমাহীন। তোমার সে কথাগুলি আমি কিভাবে করব বর্র্ণনা! শুধু তোমার পারলৌকিক কল্যাণ,তোমার যে অটুট সুনাম, তোমার ব্যক্তিত্ব, আগামী দিনের লক্ষ লক্ষ মানুষের আরাধ্য হোক। এ জগতে যেমন তুমি প্রশংসিত হয়েছো, পরপারে তোমার রাজপ্রাসাদ জান্নাতুল ফেরদাউসে নির্মিত হোক।
তোমার সামান্য গুণ যেন আমার হৃদয়ে প্রবেশ করে। সেই প্রত্যাশা রেখে আমি অনুজ প্রধান শিক্ষক মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নিকট তোমার কল্যান প্রার্থনা করি। তোমার অসামান্য বংশধর এই পৃথিবীকে তোমার মত ভালবাসুক, পৃথিবীকে সুন্দর করতে প্রত্যয়ী হোক এ মম মিনতি!
তোমার আদর্শ, তোমার জীবনের পথ চলা হাজারো মানুষের আদর্শ হয়ে বিরাজ করছে। তোমার অন্তর মানবতা,পরোপকারিতা, অনোর ছেলেকে, মেয়েকে তুমি করেছ মহানা এ পৃথিবী তোমাকে দিবে প্রতিদান। তুমি গ্রহণ করো আমার প্রণামা। তুমি এসেছিলে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে, পাইকগাছাকে জ্ঞানের প্রদীপ দিয়ে আলোকিত করতে।
তোমার কর্তব্য হয়েছে পরিসমাপ্ত। দেবো তুল্য মহাদানা তুমি মর্তের পৃথিবী থেকে স্বর্গীয় পুষ্প কুঁড়িয়েছো। তুমি গ্রহণ করো প্রণামা তুমি হেটেছো ধীরগতিতে। সভ্যতায় তুমি চলে গিয়েছো সুদূর মিশর চীন, জাপান কুঁড়িয়ে এনেছো মণি মাণিক্য সাজাতে তোমার সন্তান। তুমি যে অতি মহান, তুমি অতি পূজা, তোমাকে সালামা সাধারণ পোশাকে করেছো পরিভ্রমণ। রেখে গিয়েছো সুসন্তনা । বেহেশতের উদ্যানে ভ্রমনে থাকো মাটির পৃথিবীর সুসন্তান! তোমাকে জানাই হাজার সালাম, শ্রদ্ধা, ভক্তি, প্রাণের অজস্র বিনয় মিনতি!
At last I mean, starts are not so enlighting the world, it only enlights the world
at night, but your good activities enlighting the heart of the human being, it is very great
record for the human being, I salute you hundred times, I pray to Almighty Allah all kinds
of heavenly situations! I don’t like to comment anything for the great man, he is superior,
Innocent and great man than my thinking. I only think for us if we all headmasters are
liking and teaching the disciples as like Amjad ali sir, We will conquer all peril situasjons,
That will be more beautiful for the earth.
অর্থাৎঃ “বিশ্ব আলোকিত করে না, বিশ্বকে কেউ না কেউ আলোকিত করে
একজন মানুষের ভাল কর্মকাÐ কর্মকাÐ মানুষের হৃদয়কে আলোকিত করে, মহৎ মানুষ হিসেবে তৈরি করে।
আমি আপনাকে শত বার সালাম জানাই, প্রার্থনা করি সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ পাকের কাছে।
আমি মহান ব্যক্তির জন্য কিছু মন্তব্য করতে পারি না, কারণ তিনি উচ্চতর,
আমার চিন্তার জগতে তিনি নিষ্পাপ এবং মহান মানুষ। আমি কেবল আমাদের জন্য চিন্তা করি যদি আমরা সবাই তার মতো হতে পারি।
আমজাদ আলী স্যারের মতো ব্যক্তিত্বদের আদর্শকে যদি অনুকরণ করতে পারি আমরা পারবো সমস্ত বিপদ পরিস্থিতি জয় করতে।
এই পৃথিবীর জন্য বয়ে আনবে সুখ শান্তি সমৃদ্ধি”।
🛑লেখকঃ প্রবীন প্রধান শিক্ষক, পুরুড়া উচ্চ বিদ্যালয়, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ।



