আমরা বাঙালি। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত ভাষা।স্বাধীন দেশ হিসাবে আমরাও বিশ্বের দরবারে গর্বিত। তেমনিভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ কলকাতার ভাষাও বাংলা। ভাষাগত মিল থাকলেও সাংস্কৃতিক দিক থেকে একে অপরে ভিন্ন। দুদেশের মধ্যে যোগাযোগ, চিকিৎসা, আমদানি রপ্তানি, ফারাক্কার পানি বন্টন চুক্তি, সীমানা চুক্তি ইত্যাদি বিষয় একে অপরের প্রতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তা কিছুটা কার্যকরী দেখা গেছে তার আনুগত্যশীল সরকারের মাধ্যমে। এর বাইরের সরকার বৈরী আচরণ। যা কিনা আমাদের দেশটাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।
১৯৭১ সালে ভারত আমাদের দেশ স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধসহ সহ সহযোগিতা করেছে। আর তার পিছনে স্বার্থ ছিল। স্বাধীনতার পর ভারত আমাদের দেশ থেকে অস্ত্র, মিল, কলকারখানাসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভারত লুটপাট করে নিয়ে যায়। কেমন স্বার্থবাদী বন্ধু তা সীমানা ও ফারাক্কা চুক্তি ভঙ্গ করে আমাদের দেশটাকে ধ্বংস করেছে।
ভারত সবসময় প্রতিকার, প্রতিশোধ এবং সুযোগ সুবিধার জন্য তার আনুগত্যশীল সরকারকে কাছে টেনেছে। উদাহরণ স্বরূপ আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে আতাত করেছে। যার কারণে আমাদের দেশটাকে পরনির্ভরশীলতা করে রেখেছে।যেটা আধিপত্যবাদের একমাত্রই পন্থা।
বিগত সাঁতরটি বছর যাবত আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো সহ শেখ হাসিনা সরকারের হিংসা ওপ্রতিশোধাত্ত মূলক নীতিতেপ্রশাসন সহ সকল প্রতিরক্ষা বাহিনীকে হাত করে, এদেশের নিরীহ নিরপরাধ জনসাধারণ, জামাত, বিএনপি,, হেফাজত, ইসলামপন্থী দাড়ি টুপিওয়ালা, মসজিদ মাদ্রাসার আলেম উলামা, সহ সর্বসাধারণের উপর জুলুম অত্যাচার নির্যাতন হয় রানী মূলক মামলা গুম গণহত্যা আয়না ঘর নামক টর্চারস সেল ইত্যাদি সৃষ্টি করে এদেশের মানুষের উপর ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
আন্দোলনের পর আন্দোলন যখন ব্যর্থ হয়, তখন ছাত্র জনতারএক দফা আন্দোলন সরকার হটাও শুরু হয়। জুলাই আগস্ট ২৪ এর বিপ্লবে এদেশের হাজার হাজার ছাত্র জনতা শহীদ এবং পঙ্গুত্ববরণ করে। তবুও আবু সাঈদ এর মতন বুক পেতে দেওয়া, বুলেট বিদ্ধ সামনের কাতারে দেশ প্রেমিক ছাত্র জনতা কখনো এ সরকার পতন আন্দোলন পিছু হটে নাই। অবশেষে নির্লজ্জ ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারীশেখ হাসিনা সরকার ৫ আগস্ট ২৪ শে ভারতে পালিয়ে যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে।
ভারতে বসে একের পর এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগের রাজনীতির নিষিদ্ধ হয়েছে। ইতিমধ্যে একের পর এক ভারতে বসে ভিডিও কনফারেন্স বিভিন্ন বার্তা বিভিন্ন লোক মুখের বার্তার মাধ্যমে শেখ হাসিনা বলছে তিনি বাংলাদেশে আসছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তিনিও বলছেন শেখ হাসিনা বৈধ প্রধানমন্ত্রী এবং অতি শীঘ্রই বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করবেন। আমরা আশায় আছি তিনি কবে ফিরবেন। যখন কোন দেশ শেখ হাসিনাকে গ্রহণ করতে নারাজ তখন ভারত তাকে আশ্রয় দিয়ে আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষাকে ম্লান করে দিয়েছে। ভারতে বসে ভারত এবং হাচিনা ষড়যন্ত্র করছে আর এটাই হল বন্ধুত্বের পরিচয়।
ইতিমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারত সফরের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বারংবার আমন্ত্রণের প্রেক্ষিতে অবশেষে বাংলাদেশ সরকার ভারত সফরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এখন প্রশ্ন হল ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারকে আমন্ত্রণের প্রেক্ষিতে কি কি সুবিধা আদায় করতে পারে। ভারতের ট্রানজিট সুবিধা, যোগাযোগ, চিকিৎসা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের, সীমানা চুক্তি, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আমাদের বিশ্বাস অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা ওমৃদু সমঝোতা হলেও আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া ছাড়া দেশে আনা সম্ভবপর নয়। তাহলে ভারত কি পারবে শেখ হাসিনার কোন বিধি ব্যবস্থা করতে?। ব্যবস্থা একটাই আমেরিকা সহ অন্যান্য দেশে সম্মতি জ্ঞাপনাথে’ তাকে পাঠানো।
২৪ বিপ্লব উত্তর অন্তর্বর্তী সরকারকে যে সকল দেশ সাহায্য এবং সহযোগিতা করেছে তন্মধ্যে পাকিস্তান, চীন, তুরস্ক আমাদের পরম বন্ধু হিসেবে সকল রকম সাহায্য সহযোগিতা করেছে। তারাই আমাদের পরম বন্ধু। ভারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফরকে ঘিরে তারা তাকিয়ে আছে। তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কাছে দাবি ভারত যেন আমাদেরকে মায়াজালে ফেলে কোন অন্যায্য দাবি বা স্বার্থসিদ্ধি আদায় করতে না পারে সেটার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা সহ সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশগুলো যাতে সুসম্পর্ক বজায় থাকে এমন কার্যকলাপ বহাল থাকে, তার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা।ভারত অতীত ভুলে প্রকৃত বন্ধু হিসেবে এগিয়ে আসুকএবং সফর হোক, সুন্দর হোক, সার্থক হোক এটাই জনগণের প্রত্যাশা।




77publogin is pretty solid. No frills, just straight-up gaming action. They’ve got a good selection and I haven’t had any issues cashing out. I recommend it. Check it out: 77publogin