একটা দেশ চলে সিস্টেমে। সিস্টেম না থাকলে সেটা রাজতন্ত্র। আর রাজতন্ত্রে প্রজার কোনো দাম নাই। আমাদের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ চিৎকার করে বলে “জনগণ ক্ষমতার মালিক”। কিন্তু বাস্তবতা? বাস্তবে মালিক সেই সরকারি কর্মচারী, যে একটা চেয়ারকে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে।
আইন কী বলে? সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধি, পিআরবি, জুডিসিয়ারি কন্ডাক্ট — সবখানে স্পষ্ট। একটা স্টেশনে সর্বোচ্চ ৩ বছর। উদ্দেশ্য একটাই: যেন সম্পর্ক না গড়ে ওঠে, যেন “মধুর হাঁড়ি”র লোভ না জন্মায়।যেন নতুন করে দালাল সৃষ্টি না হয়।
বাস্তবতা কী? খুলনা নয় অধিকাংশ অধস্তন জুডিসিয়ারিতে, থানায়, সচিবালয়ে বা স্থানীয় জনপ্রশাসনে আপনি দেখবেন ৫ বছর, ৭ বছর, এমনকি অবসর পর্যন্ত একই টেবিল। যার বাড়ি বাগেরহাট, সে খুলনায়। যার বাড়ি সাতক্ষীরা, সে যশোরে। একই নাড়ী, একই টান।
এর ফল কী? পেশকার বা বেঞ্চ ক্লার্ক প্রকাশ্যে বিচার প্রার্থীদের বলে — যা আছে তাই দেন। কে দেখবে? কে শুনবে?”
অভিযোগ দিবেন কোথায়? সব দরজা বন্ধ। তাহলে ধরে নিতে হয় — সিস্টেমের সবাই ভাগ পায়।
সবচেয়ে লজ্জার বিষয় কী জানেন? বদলি ঠেকাতে এখন মন্ত্রণালয়ের সামনে মিছিল হয়। চাকর রাজা হয়ে গেলে যা হয় আরকি। বিচারপতি হামিদুল হক তার বইতে লিখেছিলেন, “আমি চাকর হয়েছি, আমার আবার কিসের ভয়।” আজকের চাকরদের ভয় শুধু একটা — বদলি।
সমাধান কি আকাশকুসুম?
না। দুর্নীতি কমাতে হাজার কোটি টাকার কমিশন লাগবে না। লাগবে দুইটা সিদ্ধান্ত:
০১.কঠোর বদলি নীতি: কোনো কর্মচারী দেড় বছরের বেশি এক স্টেশনে থাকতে পারবে না।
০২. নিজ এলাকায় পোস্টিং নয়: নিজ জেলা এবং পার্শ্ববর্তী জেলায় নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও যদি আমরা শুধু গাড়ি-বাড়ি-অট্টালিকার তালিকা বানাই, আর সিস্টেম না বানাই — তাহলে আগামী প্রজন্মকেও এই দুর্নীতির সাগরেই সাঁতার কাটতে হবে। জনগণ মালিক। মালিকের ঘরে প্রজা রাজত্ব করবে, এটা হতে পারে না।
কলম চলবে। সংগ্রাম চলবে। কারণ মধুর হাঁড়ি ভাঙতে হলে আগে চেয়ার ভাঙতে হয়।




Really impressed with the game variety here. There is something for everyone and the bonuses are actually fair. Definitely checking out krtwincasino again tomorrow.
Love the variety of games available here. The graphics are crisp and the interface is very user friendly for beginners. Give jilimkcasino a try!